সিঙুর , নন্দীগ্রাম - বামপন্থী বর্বরতার সাম্প্রতিকতম উদাহরণ

পশ্চিমবঙ্গের বামপন্থী শাসিত পুঁজিবাদী সরকার রাজধানী কলকাতার অনতিদূরের গ্রামীন এলাকা সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রামের নিরস্ত্র শোষিত জনতা ও কৃষি শ্রমিকদের ওপর জঘণ্য আক্রমণ নামিয়ে এনেছে। রাজ্যের বতর্মান সরকার গায়ের জোরে কৃষিজমি অধিগ্রহণ করছে তথাকথিত ‘শিল্পায়ন’ এবং স্পেশ্যাল ইকোনোমিক জোন গড়ে তোলার জন্য যার প্রধান উদ্দেশ্য হল পুঁজিপতিদের শ্রমিকশ্রেণিকে ইচ্ছামত শোষন করার উপযুক্ত বিশেষ সুবিধা এবং অধিকার সুনিশ্চিত করা।  সিঙুর এবং নন্দীগ্রামের মানুষ এই জমি কেড়ে নেওয়ার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন।

আইসিসি-র প্ল্যাটফর্ম

ইতিহাসের দীঘর্তম ও গভীরতম প্রতিবিপ্লবের পর শ্রমিকশ্রেণী আবার শ্রেণীসংগ্রামের পথ খুঁজে নিচ্ছে । ছয়ের দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে একদিকে পুঁজিবাদী ব্যবস্থার সঙ্কট তীব্র রূপ ধারণ করেছে অন্যদিকে শ্রমিকশ্রেণীর বতমান –প্রজন্মের উপর অতীতের দারুন পরাজয়ের প্রভাব পূবজদের তুলনায় অনেক কম , আর তাই বতর্মানের শ্রেণীসংগ্রাম ইতিমধ্যেই ধারণ করেছে ব্যাপকতম রূপ।১৯৬৮ সালের ফ্রান্সের ঘটনাবলীর পর থেকে ইতালি থেকে আজের্ন্টিনা,ব্রিটেন থেকে পোল্যান্ড সুইডেন থেকে মিশর,চীন থেকে পতুর্গাল ,আমেরিকা থেকে ভারত ,জাপান থেকে স্পেন সবত্র বিস্তৃত শ্রমিক সংগ্রাম পুঁজিপতিশ্রেণীর দুঃস্বপ্ন হয়ে উঠেছে ।

কোরিয়ায় যুদ্ধের হুমকির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিকতা

অক্টোবার ২০০৬’র শেষ দিকে, সোস্যালিষ্ট পোলিটিকাল এ্যালায়েন্স(SPA) ‘র ডাকে আন্তর্জাতিকতাবাদী  কিছু সংগঠন, গ্রুপ এবং সদস্যদের নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার সিওল এবং উলসান্ শহরে একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিতির হার যত অল্পই হোক না কেন, আমরা যতদূর জানি, এসপিএ-ই হ’ল দূর প্রাচ্যে কম্যুনিষ্ট লেফ্টের নীতির   প্রথম সংগঠিত প্রকাশ আর এই ধরণের সম্মেলন অবশ্যই প্রথম।এর একটা ঐতিহাসিক তাৎপরয আছে ব’লে আমরা মনে করি আর তাই এই সম্মেলনের প্রতি আইসিসি(International Communist Current )  সম্পূর্ণ সমথর্ন

ফ্রান্সে শ্রেণি-সংগ্রাম

অভিবাদন জানাই শ্রমিক শ্রেণির নতুন প্রজন্মকে!

ফ্রান্সের চিরাক/ভেলপাঁ/সারকোজি সরকার গায়ের জোরে চাকরি সংক্রান্ত  এক জঘন্য কালাকানুন চালু করেছে যার নাম হল সি.পি.ই.(প্রথম নিয়োগ চুক্তি বা First Employment / job Contract)। এর বিরুদ্ধে সেদেশের ছাত্রসমাজ  যে  বিশাল বিক্ষোভ-আন্দোলন গড়ে তুলেছে তা বতর্মান সময়ে আন্তজার্তিক ভাবে শ্রমিকশ্রেণির   পুনরায় জেগে উঠতে থাকা  সংগ্রামগুলোর অংশ হিসেবেই দেখতে হবে।   বিভিন্ন শ্রেণির মিলিজুলি করে চলা আগেকার যেসব ছাত্র  আন্দোলন তার সাথে এর কোন মিল নেই। এ সংগ্রাম সমগ্র শ্রমিক শ্রেণির শ্রেণি-সংগ্রামের অংশ। পুঁজিবাদের অথর্নৈতিক আক্রমনের বিরুদ্ধে, নতুন প্রজন্মের সামনে নিশ্চিত দিশাহীন ভবিষ্যতের বিরুদ্ধে এ আন্দোলন প্রথম থেকেই দৃঢ়ভাবে শ্রমিক শ্রেণির লাইনকেই আঁকড়ে ধরেছে। ছাত্র-ছাত্রীদের নিজস্ব প্রাতিষ্ঠানিক          দাবি-দাওয়া

ইন্টারন্যাশনাল কম্যুনিষ্ট কারেন্টের মৌলিক রাজনৈতিক অবস্থান

International Communist Current নিম্নলিখিত রাজনৈতিক অবস্থানগুলোর পক্ষে দাঁড়ায়

ফ্রান্সে পুঁজিবাদ বিরোধী আন্দোলন

ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম থেকে বিদ্যালয়গুলিতে ছুটি থাকা সত্ত্বেও বিশ্ববিদ্যালয় ও উচ্চবিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা ফ্রান্সের অধিকাংশ বড় শহরগুলিতে সরকার ও মালিকের অথনৈতিক আক্রমনের বিরুদ্ধে এবং CPE আইনের বিরুদ্ধে একত্রিত হয়েছে এবং তাদের ক্ষোভ উগরে দিয়েছে, যদিও গণমাধ্যমগুলি (বিশেষত, টিভি) এ বিষয়ে সম্পূণ নীরব। বরং ‘বারবারিয়ান গ্যাং’ এর জঘন্য ক্রিয়াকলাপগুলি প্রচারের আলোতে নিয়ে আসার প্রতিই তাদের মনোযোগ বেশি।

বিশ্ব নেতা, আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী

গত ৭ ই জুলাই’০৫ তারিখে লন্ডনে সন্ত্রাসবাদীদের আক্রমনের প্রথম শিকার কারা?

২০০১ এ নিউইয়ক এবং ২০০৪ এ মাদ্রিদের মতই লন্ডনেও বিস্ফোরণের সুপরিকল্পিত লক্ষ্য ছিল শ্রমিকেরা। তার কারণ সেসময় টিউবে আর বাসে তাদেরই কমর্স্থলে যাবার ভীড় উপচে পড়েছিল। এই গণহত্যা ঘটানোর দায় স্বীকার করেছে আল-কায়দা, এরা বলছে “ইরাকে  ব্রিটিশ সেনারা যে হত্যালীলা চালিয়েছে তার ” বদলা নিতেই  তারা এ কাজ করেছে।কিন্তু ভেবে দেখুন, ইরাকি জনগণের উপর যে সীমাহীন নিধন চলছে তার জন্য নিশ্চয় ব্রিটেনের শ্রমজীবী মানুষেরা দায়ী নয়।এর জন্য দায়ী ব্রিটেনের এবং আমেরিকার শাসকশ্রেণী এবং তথাকথিত প্রতিবাদী সন্ত্রাসবাদীরা যারা প্রতিদিন ইরাকি জনগণের উপর হত্যালীলা চালিয়ে যাচ্ছে প্রতিরোধের নাম করেই।কিন্তু ইরাক যুদ্ধের হোতারা মানে ওই বুশ আর ব্লেয়াররা বহাল তবিয়তেই থেকে যাচ্ছে, বরং সন্ত্রাসবাদীদের নতুন নতুন হত্যালীলা ওদের নতুন কোনো যুদ্ধে নামার অজুহাত তৈরীতে সাহায্য করছে যেমন ১১ ই সেপ্টেম্বরের ঘটনা আফগানিস্তান এবং ইরাক আক্রমনের যুক্তি যুগিয়ে ছিল।

ICC anti-war leaflet

Syndicate content