englishfrançaisdeutschitalianosvenskaespañoltürkçenederlandsportuguêsΕλληνικά
русскийहिन्दीفارسی한국어日本語filipino中文বাংলাmagyarsuomi
নীড়পাতা
ইন্টারন্যাশানাল কম্যুনিস্ট কারেন্ট
দুনিয়ার মজদুর এক হও!

Main navigation

  • ICC’র সাথে যোগাযোগ
  • ইন্টারন্যাশনাল কম্যুনিষ্ট কারেন্টের মৌলিক রাজনৈতিক অবস্থান
  • আইসিসি-র প্ল্যাটফর্ম

সমগ্র শ্রমিক শ্রেণির লড়াইই হলো স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের লড়াই

Breadcrumb

  • নীড়পাতা
  • Communist Internationalist - 2020s
  • Communist Internationalist - 2026

(লিফলেট)

নেপাল থেকে মরক্কো, মাদাগাস্কার থেকে পেরু, জেন-জি প্রজন্মের তরুণরা রাস্তায় নেমে আসছে। সর্বত্রই একটি প্রজন্ম তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন। সর্বত্রই আছে নীরবে আক্রমণ ও অবনতি মেনে নিতে অস্বীকার করার একই মনোভাব। আজ ফ্রান্সে তরুণরা প্রতিবাদে উঠে দাঁড়িয়েছে।

সবকিছুর শুরু ১৭ সেপ্টেম্বর, ভ্যাল-দ্য-মার্ন অঞ্চলের ক্রেতেই (Créteil)-এর একটি উচ্চ বিদ্যালয়ে। মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে আন্দোলন সারা দেশের স্কুলগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষোভ প্রচণ্ড: “আমাদের ক্লাসে ৩৪ জন শিক্ষার্থী, কখনও কখনও বসার জন্য চেয়ারও থাকে না”; “গত বছর ইংরেজি ক্লাসের সময় ছাদের একটি অংশ আমাদের ওপর ভেঙে পড়েছিল। কখনও কখনও শ্রেণিকক্ষের ভেতরেই বৃষ্টির পানি পড়ে।”

শিক্ষকের অভাব, জরাজীর্ণ স্কুল ভবন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি প্রক্রিয়া (Parcoursup) নিয়ে স্থায়ী উদ্বেগ এবং পড়াশোনা শেষ করার পর অনিশ্চিত ভবিষ্যতের আশঙ্কা তরুণদের মধ্যে গভীর হতাশা সৃষ্টি করেছে। যেমন একজন শিক্ষার্থী বলেছে: “প্রতিদিন আমাদের কাছে পুলিশ পাঠানো হয়, কিন্তু আমাদের সমস্যার কোনো সমাধান আনা হয় না!”

ক্ষোভের জবাব লাঠি দিয়ে!

এই ন্যায্য দাবিগুলোর জবাবে রাষ্ট্র দমন-পীড়ন চালাচ্ছে। টিয়ার গ্যাস, রাবার বুলেট, সহিংস গ্রেপ্তার, গলা চেপে ধরা, পুলিশি হেফাজত,  সাঁ-তুয়াঁ-ল'ওমোনে (Saint-Ouen-l'Aumône)-এ এক পুলিশ কর্মকর্তা কাছ থেকে গ্রেনেড লঞ্চার ছুড়ে এক স্কুল শিক্ষার্থীর মুখে আঘাত করেন, যার ফলে তার উপরের সব দাঁত ভেঙে যায়। ত্যুর (Tours)-এ এক তরুণ গুরুতরভাবে চোখে আঘাতপ্রাপ্ত হয়।

অনেক শিক্ষার্থীকে ২৪ ঘণ্টা পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়, যেখানে তারা অপমান ও দুর্ব্যবহারের শিকার হয়, তারপর তাদের বিচারকের সামনে হাজির করা হয়। ১ অক্টোবর একদিনেই প্রায় ২,০০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে! আন্দোলন শুরু হওয়ার পর থেকে ৬৫ জন শিক্ষক ও ১৭০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে।

ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নুনিয়েজ (Nuñez) কোনো রাখঢাক না রেখেই বলেছেন: “শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি প্রয়োগ কখনোই বাধাগ্রস্ত হওয়া উচিত নয়।” কী লজ্জাজনক কথা! ১৪ বা ১৫ বছরের কিশোর-কিশোরীদের ওপর এই সাঁজোয়া পুলিশের হামলা দেখে ক্ষুব্ধ না হয়ে কি থাকা যায়?

এই ভয়াবহ দমন-পীড়নকে ন্যায্য প্রমাণ করতে সরকার প্রতিটি ছোটখাটো ঘটনা, প্রতিটি আগুন লাগার ঘটনা টেলিভিশনে বারবার প্রচার করছে। উদ্দেশ্য স্পষ্ট: আন্দোলনকে কলঙ্কিত করা, আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী ও অংশ নিতে ইচ্ছুক তরুণদের ভয় দেখানো, অভিভাবকদের আতঙ্কিত করা এবং তরুণদের সমাজের অন্যান্য অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা।

যেসব স্কুল শিক্ষার্থী পুলিশের হাতে মার খেয়েছে, তারা অফিসকর্মী, নার্স, বেকার, বিক্রয়কর্মী, কারখানা শ্রমিক, ডেলিভারি কর্মী, শিক্ষক ও ক্যাশিয়ারদের সন্তান। অর্থাৎ তারা শ্রমিক শ্রেণির সন্তান। তাই এই দমন-পীড়নের মুখে পুরো শ্রমিক শ্রেণির উচিত তাদের পাশে দাঁড়ানো।

কেবল মুখের সমর্থন বা স্বাক্ষর সংগ্রহ নয়, বরং সংগ্রামের মধ্য দিয়ে প্রকৃত সংহতি গড়ে তুলতে হবে। শিক্ষার্থীরাই ইতিমধ্যে পথ দেখাচ্ছে। লিয়োঁ (Lyon)-এ অনেক শিক্ষার্থী “দমন-পীড়নের শিকার স্কুল শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি” জানিয়ে আন্দোলনে যোগ দিয়েছে। সাঁ-দেনির (Saint-Denis) পল-এলুয়ার (Paul-Éluard) স্কুলে শিক্ষকরা পুলিশ থেকে শিক্ষার্থীদের রক্ষা করতে মানবশৃঙ্খল গড়ে তুলেছিলেন। কিন্তু শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী ও আরও বিস্তৃত করা।

অর্থহীন সহিংসতার ফাঁদে পা দেব না!

অবজ্ঞা ও অন্যায়ের শিকার হয়ে যারা ক্ষুব্ধ, তাদের রাগ বোঝা যায়। কিন্তু আবর্জনার পাত্রে আগুন লাগানো বা শিক্ষকদের দিকে পাথর ছোড়া সরকারের কোনো ক্ষতি করে না। বরং সরকারই এতে লাভবান হয়।

এসব ঘটনা সরকারকে দমন-পীড়নের অজুহাত দেয়। যারা আন্দোলনে যোগ দিতে পারত, তাদের ভয় পাইয়ে দেয়। মানুষের মনোযোগ আমাদের প্রকৃত দাবিগুলো থেকে সরিয়ে দেয়।

একটি আন্দোলনের শক্তি ধ্বংসযজ্ঞে নয়। তার শক্তি নিহিত থাকে সংখ্যায়, ঐক্যে, আলোচনায় এবং সংহতিতে। তার শক্তি হলো গণসভায় একসঙ্গে আলোচনা করে, চিন্তা করে এবং সম্মিলিতভাবে কর্মসূচি নির্ধারণ করা।

সংগ্রামী তরুণরাই আগামী দিনের শ্রমিক শ্রেণি

আজ স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যে বিষয়গুলোর প্রতিবাদ করছে, সেগুলো পুরো শ্রমিক শ্রেণির অভিজ্ঞতা: কর্মীর সংকট, বছরের পর বছর জীবনযাত্রার অবনতি এবং জনসেবার প্রতি অবহেলা।

শিক্ষার্থীরা জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থায় চাকরি ছাঁটাই এবং শিক্ষক ও শিক্ষা-সহায়তাকারী কর্মীদের দুরবস্থার বিরুদ্ধেও প্রতিবাদ করছে: “আমরা শিক্ষকদের সমর্থন করতে এসেছি, কারণ তারা কম বেতন পান, গাদাগাদি শ্রেণিকক্ষে পড়ান এবং পর্যাপ্ত সহকর্মী পান না”; “যারা আমাদের পড়তে শেখায়, তাদের প্রাপ্য মজুরি দাও!”

পড়াশোনার খরচ ক্রমাগত বাড়ছে। ফরাসি ছাত্র সংগঠন FAGE-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে প্রতি শিক্ষার্থীর গড় খরচ ৩,২৪০ ইউরো, যা রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। সরকার এমনকি BTS ও প্রস্তুতিমূলক কোর্সগুলোর জন্য নিবন্ধন ফি চালু করতে চেয়েছিল। কিন্তু ব্যাপক জনবিরোধিতার মুখে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে। এটি প্রমাণ করে যে সংগ্রাম ফল দেয়।

তবুও এটি মানুষের ক্রমবর্ধমান ক্ষোভ প্রশমিত করার জন্য যথেষ্ট নয়। Parcoursup, Mon Master এবং গোটা শিক্ষা ব্যবস্থা তরুণদের বাছাই করছে, যাতে তাদের ভবিষ্যতে মালিকপক্ষের জন্য শ্রমশক্তি হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

এর ফল কী? প্রতি পাঁচজন তরুণ শ্রমিকের একজন বেকার। আরও অনেকে ইন্টার্নশিপ, স্বল্পমেয়াদি চুক্তি, অস্থায়ী কাজ এবং অনিয়মিত চাকরির চক্রে আটকে আছে। চাকরির অনিশ্চয়তাই এখন সাধারণ নিয়মে পরিণত হয়েছে।

সরকার বলে অর্থ নেই। ২০২৭ সালের বাজেটে ১,৫৮৮টি শিক্ষক পদ বাতিল করা হবে। ভয়াবহ গ্রীষ্মের পরও স্কুল সংস্কারের জন্য কোনো অর্থ বরাদ্দ নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ে আরও কঠোর বাছাই ব্যবস্থা চালু করা হবে। এই মুনাফালোভী সরকার এক ইউরোর ছাত্রভোজ কর্মসূচিও বাতিল করতে চায়!

কিন্তু সামরিক খাতে তারা ৬.৪ বিলিয়ন ইউরো খরচ করতে পারে। শিক্ষামন্ত্রী সাহস করে বলেন, “আমরা যুবসমাজের ওপর ব্যয় কমাচ্ছি না।” হ্যাঁ, কমাচ্ছেন! স্কুলের খরচ কমিয়ে অস্ত্রের জন্য অর্থ জোগাড় করা হচ্ছে।

ক্রেতেইয়ের একটি প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল: “সেনাবাহিনীর জন্য ৬ বিলিয়ন ইউরো আছে, কিন্তু স্কুলের জন্য একটি ইউরোও নেই!”

সর্বত্র একই ক্ষোভ

এই দাবিগুলো সবার হৃদয়ে সাড়া জাগায়। এজন্যই আন্দোলনটি এত ব্যাপক। ১ অক্টোবর ১,০২০টি স্কুল এবং ৩০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন হয়েছে।

শুধু মার্সেই, লিয়োঁ, লিল বা রেঁনের মতো বড় শহরেই নয়, ছোট শহরগুলোতেও এই ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। এবং স্বাভাবিকভাবেই, এই ক্ষোভ সমাজের সব ক্ষেত্রেই বিদ্যমান।

২৯ সেপ্টেম্বর সরকারি কর্মচারীরা বেতন বৃদ্ধির দাবিতে ধর্মঘট করেছে: শিক্ষক, স্বাস্থ্যকর্মী, কর বিভাগ কর্মী এবং কর্মসংস্থান সংস্থার কর্মীরা। প্যারিসের গণপরিবহন সংস্থা RATP-তে ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু হয়েছে। ১৫ সেপ্টেম্বর বিদ্যুৎ কোম্পানি EDF-এর প্রায় ৬০% কর্মী ধর্মঘটে অংশ নিয়েছিল, যা ছিল রেকর্ড অংশগ্রহণ। TotalEnergies-এ ৮ অক্টোবর ধর্মঘটের পরিকল্পনা রয়েছে। শিক্ষা খাতে ৬ অক্টোবর শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের যৌথ ধর্মঘটের আহ্বান জানানো হয়েছে।

সর্বত্র একই চিত্র: দ্রব্যমূল্য বাড়ছে, মজুরি পিছিয়ে আছে, আর কাজের পরিবেশ ক্রমেই খারাপ হচ্ছে।

এই অসন্তোষ ফ্রান্সের সীমান্তের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। স্পেনে ১৪,০০০ Airbus শ্রমিক তিন মাস ধরে মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলন চালিয়েছে এবং বিশাল গণসমাবেশে নিজেদের সিদ্ধান্ত নিজেরাই নিয়েছে। বেলজিয়ামে ১ অক্টোবর লিয়েজ অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা স্কুল অবরোধ করেছে। জার্মানিতে ২৫ সেপ্টেম্বর প্রায় একশটি শহরে হাজার হাজার শিক্ষার্থী বাধ্যতামূলক সামরিক সেবা ফিরিয়ে আনার বিরুদ্ধে ধর্মঘট করেছে।

সর্বত্র একই বাস্তবতা কাজ করছে: অর্থনৈতিক সংকট ও যুদ্ধের মূল্য শ্রমিক এবং তাদের সন্তানদেরই দিতে হচ্ছে।

কোন পথে এগোতে হবে? সিপিই (CPE) আন্দোলনের শিক্ষা

সরকার ভয় ও বিভক্তির ওপর নির্ভর করছে। সরকারকে পিছু হটতে বাধ্য করা যাবে কীভাবে?

বিশ বছর আগে আরেক প্রজন্ম তার উত্তর দিয়েছিল। সেঁ-সাঁ-দেনির এক শিক্ষক বলেছিলেন: “আজ যা ঘটছে, তা আমাকে সিপিই-বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কথা মনে করিয়ে দেয়।”

২০০৬ সালে CPE নামের শ্রমচুক্তির বিরুদ্ধে আন্দোলন সরকারকে পিছু হটতে বাধ্য করেছিল। সেই চুক্তি তরুণ শ্রমিকদের খুব সহজে চাকরি থেকে ছাঁটাই করার সুযোগ দিত। সেই আন্দোলন আমাদের জন্য অনেক শিক্ষা রেখে গেছে।

প্রথমত, তরুণরা নিজেদের সংগ্রামের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নিয়েছিল। তাদের সাধারণ সভাগুলো ছিল প্রকৃত আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্থান। হাত তুলে ভোট হতো। প্রতিনিধি নির্বাচন করা হতো, এবং তারা জবাবদিহির আওতায় থাকত; প্রয়োজনে যে কোনো সময় তাদের পরিবর্তন করা যেত।

এসব সভা সবার জন্য উন্মুক্ত ছিল: শ্রমিক, বেকার, অবসরপ্রাপ্ত, অভিভাবক। তারা ইউনিয়নগুলোর হাতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা ছেড়ে দেয়নি।

দ্বিতীয়ত, তারা বুঝেছিল যে বিচ্ছিন্ন থাকলে তারা হেরে যাবে। শিক্ষার্থীরা বলেছিল: “আমরা যদি আলাদা আলাদা থাকি, তাহলে আমাদের সহজেই পরাজিত করা হবে।”

তাই সাধারণ সভাগুলো বিভিন্ন কর্মস্থলে প্রতিনিধি দল পাঠায়। তারা সাপ্তাহিক ছুটির দিনে মিছিলের ডাক দেয়, যাতে শ্রমিকরাও অংশ নিতে পারে। এর ফলে লক্ষ লক্ষ শ্রমিক, বেকার ও অবসরপ্রাপ্ত মানুষ রাস্তায় নেমে আসে।

পুলিশের উসকানির মুখেও সাধারণ সভাগুলো এমন অর্থহীন সহিংসতাকে প্রত্যাখ্যান করেছিল, যা আন্দোলনকে বিভক্ত করত এবং সংহতিকে দুর্বল করত। সরকার কয়েকটি ভাঙা জানালার কারণে পিছু হটেনি। তারা পিছু হটতে বাধ্য হয়েছিল কারণ আন্দোলন সমগ্র শ্রমিক শ্রেণির মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছিল, এবং সাধারণ সভার আলোচনা ও সিদ্ধান্তগুলোই ছিল সেই বিস্তারের প্রাণশক্তি।

আজও আমাদের সেই পথেই এগোতে হবে।

ভাল-দ'ওয়াজ অঞ্চলে ২৯ সেপ্টেম্বর স্কুল শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা একসঙ্গে সভা করে পরে যৌথ বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিল। একজন শিক্ষার্থী বলেছিল: “জানতে ভালো লাগে যে আমরা একসঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হতে পারি, বিশেষ করে যখন দেখি কিছু শিক্ষক আমাদের রক্ষার জন্য পাশে দাঁড়িয়েছেন।”

এটি কেবল শুরু।

আমাদের সর্বত্র সাধারণ সভা গড়ে তুলতে হবে, যা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে: স্কুল শিক্ষার্থী, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী, শ্রমিক, বেকার, অবসরপ্রাপ্ত। সেখানেই আমরা আলোচনা করব এবং সিদ্ধান্ত নেব।

আমাদের বড় সংখ্যায় কর্মস্থল, হাসপাতাল, কারখানা এবং আশপাশের স্কুলগুলোর শ্রমিকদের কাছে পৌঁছাতে হবে। সহিংসতা ও বিভেদের সব ফাঁদ প্রত্যাখ্যান করতে হবে।

আমরা প্রত্যেকে নিজ নিজ খাতে সীমাবদ্ধ থেকে আলাদা আলাদা কর্মসূচিতে ক্ষোভ ছড়িয়ে দিতে পারি না। আমাদের দরকার একটি ঐক্যবদ্ধ স্লোগান:

অনিশ্চয়তা ও নিরাপত্তাহীনতার বিরুদ্ধে সংগ্রাম!
সর্বত্র, সব ক্ষেত্রে!
স্কুলে যেমন, হাসপাতালে তেমনি; অফিসে যেমন, কারখানাতেও তেমনি!

২০০৬ সালের পর CPE-বিরোধী আন্দোলনের স্মৃতি ধীরে ধীরে মুছে ফেলা হয়েছিল। এবার তা হতে দেওয়া যাবে না।

আমাদের আলোচনা করতে হবে, অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিতে হবে এবং সংগ্রাম শেষ হয়ে গেলেও পরস্পরের সঙ্গে সংযোগ বজায় রাখতে হবে। কারণ আক্রমণ থেমে থাকবে না।

সংকটে নিমজ্জিত পুঁজিবাদ তরুণদের জন্য নিরাপত্তাহীনতা, যুদ্ধ এবং পরিবেশ ধ্বংস ছাড়া আর কিছুই দিতে পারে না। আমাদের একমাত্র শক্তি হলো আমাদের ঐক্য, যা খাত, প্রজন্ম ও জাতীয় সীমানা অতিক্রম করে।

স্কুল শিক্ষার্থী, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী, শ্রমিক, বেকার, অবসরপ্রাপ্ত:
আমরা সবাই একই সংগ্রামের অংশ!

আন্তর্জাতিক কমিউনিস্ট কারেন্ট (ICC)
২ অক্টোবর ২০২৬

Source: https://en.internationalism.org/content/17857/struggle-high-school-and-university-students-struggle-entire-working-class-leaflet

Book traversal links for সমগ্র শ্রমিক শ্রেণির লড়াইই হলো স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের লড়াই

  • ‹ সব দিক থেকে আক্রমণের মুখে, শ্রেণি হিসেবে ঐক্যবদ্ধ হই, সংগ্রাম করি!
  • Up
নীড়পাতা
ইন্টারন্যাশানাল কম্যুনিস্ট কারেন্ট
দুনিয়ার মজদুর এক হও!

Footer menu

  • ইন্টারন্যাশনাল কম্যুনিষ্ট কারেন্টের মৌলিক রাজনৈতিক অবস্থান
  • Contact