গত এক মাস ধরে রাষ্ট্র এবং তার আজ্ঞাবহ গণমাধ্যম আমাদের উপর অবিরাম অপপ্রচার, মিথ্যাচার ও তথ্য গোপনের বন্যা বইয়ে দিচ্ছে, যাতে তাদের দমন-পীড়নের নীতিকে আরও সহজে বৈধতা দেওয়া যায়। ফ্রান্সের আন্দোলনকে এক ভয়ংকর দানব হিসেবে তুলে ধরার জন্য বক্তৃতা আর ছবির যেন শেষ নেই। এমনভাবে দেখানো হচ্ছে যেন এই আন্দোলন বিশৃঙ্খলা আর ধ্বংস ছাড়া আর কিছুই নয়। তাই, শোষিত শ্রেণির সবাইকে আবার নিজেদের নির্ধারিত জায়গায় ফিরিয়ে দিতে হবে, আর সে জন্য জোরে আঘাত হানতে হবে, আক্ষরিক অর্থেও, রূপক অর্থেও।
আর বিশ্ববিদ্যালয় ও স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা? তারা তাদের দৃঢ় দাবিদাওয়া ও গভীর চিন্তাভাবনার মাধ্যমে শুধু সবার জন্য সম্মানজনক শিক্ষার পরিবেশ এবং মর্যাদাপূর্ণ ভবিষ্যতের দাবি তুলছে... অথচ এই দাবিকেই আখ্যা দেওয়া হচ্ছে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ’!
রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস
আমরা এই হিংস্রতার মুখোমুখি হচ্ছি সরাসরি। কখনো বিক্ষোভের মাঠে, কখনো প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায়, কখনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে। ছিঁড়ে যাওয়া সেই হাত, ডুবিয়ে মারার সেই চেষ্টা, গলা টিপে ধরার সেই ঘটনা, টিয়ার গ্যাসে আক্রান্ত সেই অর্কেস্ট্রা, থেঁতলে দেওয়া সেই মাথাগুলো, মাথার সেই গুরুতর আঘাত, ক্ষতিগ্রস্ত বা সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যাওয়া সেই চোখগুলো, ভেঙে যাওয়া সেই আঙুলগুলো, ভিড় নিয়ন্ত্রণকারী গ্রেনেডের শার্পনেলে ঝাঁঝরা হয়ে যাওয়া সেই শরীরগুলো, শ্বাসরোধের সেই ঘটনা, অজ্ঞান হয়ে পড়া মানুষগুলো, বিভ্রান্তির সেই আর্তচিৎকার, তাদের নোংরা ও জঘন্য গালাগাল, তাদের ভয় দেখানো, বেআইনি গ্রেপ্তার, হামলাকারী যানবাহন, তাদের উসকানি... এসবই আমাদের প্রত্যেকের ভেতরে যেন গেঁথে আছে। তাই আমরা চিৎকার করে উঠি। যন্ত্রণায় চিৎকার করি, আতঙ্কে জমে যাই, আর এই সব ভয়ংকর, অন্যায় ও কন্ঠরোধ করে দেওয়া ঘটনার মুখে ক্ষোভে ফেটে পড়ি!
আর এসব শুধু রাজপথেই শেষ হয় না। এর ধারাবাহিকতা চলে থানায় ও আদালতে, যেখানে তরুণদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা পুলিশ হেফাজতে বা আটককক্ষে কাটাতে হয়, কখনো ভয়াবহ অমানবিক পরিস্থিতিতে, যেমন বোবিনি ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে[১]। তাদের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠই সাধারণ ছেলে-মেয়ে, যাদের একমাত্র ‘অপরাধ’ হলো ভবিষ্যতের অধিকার দাবি করতে একত্রিত হওয়া। এরপর একের পর এক সংক্ষিপ্ত বিচারের প্রহসন চলে, যা ন্যায়বিচারের উপহাস ছাড়া কিছুই নয়, শুধুমাত্র সেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘কঠোরতা’ প্রদর্শনের নির্দেশ মানতে, যিনি দমন-পীড়ন ছাড়া আর কিছুই বোঝেন না।
আর আমাদের মনে একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খায়: কিন্তু কেন? শিক্ষকের দাবি জানালে এত দমন-পীড়ন কেন? ভবিষ্যতের দাবি তোলাটাই কেন শিশু ও তাদের পরিবারকে আতঙ্কিত করার অজুহাত হয়ে দাঁড়ায়?
কেন?
– কারণ পুঁজিবাদ অচলাবস্থায় পৌঁছে গেছে। কয়েক দশকের সংকটের পর রাষ্ট্রের হাতে আর কোনো বাস্তব কৌশলগত অবকাশ নেই। স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয় বা স্বাস্থ্যসেবায় খরচ হওয়া প্রতিটি ইউরো মানে জাতীয় অর্থনীতির প্রতিযোগিতা টিকিয়ে রাখা এবং যুদ্ধ ও অস্ত্রায়নের জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল থেকে একটি ইউরো কমে যাওয়া। গাদাগাদি ভরা শ্রেণিকক্ষ, খালি পড়ে থাকা শিক্ষকপদ আর জরাজীর্ণ বিশ্ববিদ্যালয় কোনো প্রশাসনিক ভুল নয়। এগুলো এমন এক ব্যবস্থার ফল, যার কাছে তরুণদের জন্য অনিশ্চয়তা ছাড়া আর কোনো ভবিষ্যৎ নেই।
– কারণ ছাত্রছাত্রীরা ক্রমাগত তাদের সাধারণ সভাগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিতে চেয়েছে এবং আন্দোলনকে শ্রমিকদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে ্চেয়েছে। কারণ ছাত্র আন্দোলনের ভেতরেই শ্রমিক শ্রেণির মধ্যে আরও গভীর চিন্তাভাবনার বীজ নিহিত আছে, তাই রাষ্ট্র এটা সহ্য করতে পারছে না। তাই এই চিন্তা ও সচেতনতার বিস্তার ঠেকাতে বুর্জোয়া শ্রেণি তার সমগ্র অস্ত্রভাণ্ডার নামিয়ে এনেছে, যার কেন্দ্রে রয়েছে সন্ত্রাসের নীতি; এমন এক নীতি, যা রাজপথ থেকে আদালত পর্যন্ত বিস্তৃত এবং শেষ পর্যন্ত গণমাধ্যমে গিয়ে পরিণতি পায়।
তাই প্রথম অবরোধ, প্রথম বিক্ষোভ এবং প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় দখলের ঘটনাগুলোতেই রাষ্ট্র দমন অভিযান চালায়, টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করে এবং ভারী অস্ত্রে সজ্জিত রোবোকপদের মোতায়েন করে জনপরিসর ‘খালি’ করার চেষ্টা করে। বাস্তবে তারা মূলত সমালোচনামূলক চিন্তা ও সংগঠনের ক্ষেত্রটাকেই খালি করতে চায়; তারা ভয় ঢুকিয়ে দিতে চায় যাতে মানুষ প্রতিরোধে না নামে; তারা প্রতিটি সমাবেশস্থলে প্রবেশ নিষিদ্ধ করতে চায় যাতে কোনো যৌথ চিন্তাভাবনা গড়ে উঠতে না পারে। স্কুল অবরোধ বা বিক্ষোভে কোনো আলোচনা বা চিন্তার সুযোগ রাখা হয় না: তারা এলাকা ঘিরে ফেলে, টিয়ার গ্যাস ছোড়ে, লাঠিপেটা করে। সাধারণ সভার জন্যও কোনো জায়গা রাখা হয় না, কারণ ২০০৬ সালের মতো ভুল বুর্জোয়া শ্রেণি আর করছে না, যখন ছাত্ররা লেকচার হলের ভেতরে সাধারণ সভা করেছিল[২]। এখন তারা বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করে দেয় এবং সিআরএস-এর হামলা চালিয়ে ছাত্রদের ছত্রভঙ্গ করে।
আর যখন এই বিশাল দমনযন্ত্রও যথেষ্ট হয় না, তখন রাষ্ট্রের ঝুলিতে আরও কৌশল থাকে। দোকানের কাচ ভাঙার বা প্রথম পাথরটি ছোড়ার জন্য কি কাউকে পাওয়া যাচ্ছে না? তাহলে পুলিশই তা শুরু করবে, যাতে পরবর্তীতে দমন-পীড়নের আরও ভালো অজুহাত তৈরি হয়[৩]। তাদের পেছনে পেছনে আমাদের মধ্যে সবচেয়ে বিভ্রান্ত অংশ, যারা ক্ষোভ আর হতাশায় জর্জরিত, যারা ‘এখানেই, এখনই’ কিছু করতে চায়, তারা নিষ্ফলভাবে অনুসরণ করবে, ভাঙচুর করে বা পুলিশকে গালাগাল দিয়ে তাদের সমস্ত ক্ষোভ উগরে দেবে।
আর যখন এতসব প্রচারণাও আন্দোলনকে কলঙ্কিত করার জন্য যথেষ্ট হলো না, তখন ১৭ অক্টোবর রাষ্ট্র ইচ্ছাকৃতভাবে লুটপাটকে উৎসাহিত করল। দোকানগুলোকে অরক্ষিত রেখে, রাস্তায় ইচ্ছাকৃতভাবে পর্যাপ্ত পুলিশ না মোতায়েন করে, আর সব সামাজিক মাধ্যমে ভাঙচুরের আহ্বান ছড়িয়ে পড়া সত্ত্বেও লুটেরাদের নির্বিঘ্নে কাজ করতে দিয়ে।
নৈরাশ্যবাদী হিংসা
চলুন পরিষ্কার ভাষায় বলি: ভাঙচুর, লুটপাট, আগুন লাগানো কিংবা তথাকথিত প্রতীকী স্থাপনায় হামলা কোনো পথ দেখায় না। এই ধরনের হিংসা কেবল দমন-পীড়নকে আরও বৈধতা দেয় এবং আন্দোলনের ভেতরে চলমান প্রকৃত চিন্তাভাবনাকে আড়াল করে। কে বেশি জোরে আঘাত করতে পারে, সেই প্রতিযোগিতায় রাষ্ট্র সবসময়ই জিতবে। আর ঠিক এই কারণেই গণমাধ্যম অবিরাম ধ্বংসযজ্ঞের এই ছবিগুলো দেখিয়ে যাচ্ছে! চিন্তা ও দাবিদাওয়ার বদলে ধ্বংসের ছবি দেখানোর জন্য; সংহতিবদ্ধ ও চিন্তাশীল তরুণদের বদলে দিশাহীন এক যুবসমাজের ছবি দেখানোর জন্য; কর্মক্ষেত্রে লড়াই ছড়িয়ে দেওয়ার আকাঙ্ক্ষার বদলে লুটপাটকে সামনে আনার জন্য।
“প্রলেতারিয়েতের শ্রেণিগত হিংসা কখনোই সন্ত্রাস হতে পারে না, কারণ তার অস্তিত্বের উদ্দেশ্যই হলো সন্ত্রাসের অবসান ঘটানো... সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার উপায় হিসেবে প্রলেতারিয়েত কখনো পোগ্রম, গণপিটুনি, নির্যাতনকেন্দ্র বা মস্কো বিচারের মতো পদ্ধতির আশ্রয় নিতে পারে না। এসব পদ্ধতি সে পুঁজিবাদের জন্যই ছেড়ে দেয়, কারণ এগুলো পুঁজিবাদেরই অংশ, তার লক্ষ্য পূরণের উপযোগী, আর এদের সামষ্টিক নাম সন্ত্রাস। বিপ্লবের আগে সন্ত্রাসবাদ হোক বা বিপ্লবের পরে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস, মানবমুক্তির সংগ্রামে এগুলো কখনোই প্রলেতারিয়েতের অস্ত্র হতে পারে না।”[৪]
আমাদের শ্রেণির হিংসা
তাহলে কি কিছুই করার নেই? পরের লাঠির আঘাতের অপেক্ষায় কি আমাদের মাথা নত করে থাকতে হবে? কোনো প্রতিরোধ ছাড়াই মার খেতে হবে?
আমরা কি অনন্তকাল ধরে ট্রেড ইউনিয়নের সীমাবদ্ধ প্রতিবাদ কর্মসূচিগুলোই সহ্য করে যাব?
একেবারেই না!“প্রলেতারিয়েতের ‘অজেয় শক্তি’ তার শারীরিক বা সামরিক শক্তিতে নয়, দমনযন্ত্রেও নয়। তার শক্তি নিহিত রয়েছে সমগ্র শ্রেণিকে লড়াইয়ে সংগঠিত করার ক্ষমতায় এবং অ-প্রলেতারীয় শ্রমজীবী জনগোষ্ঠীর বৃহত্তর অংশকে পুঁজিবাদী বর্বরতার বিরুদ্ধে সংগ্রামে যুক্ত করার সামর্থ্যে। তার শক্তি নিহিত রয়েছে তার চেতনাবোধের বিকাশে, স্বতন্ত্র ও ঐক্যবদ্ধভাবে নিজেদের সংগঠিত করার ক্ষমতায়, তার বিশ্বাসের দৃঢ়তায় এবং তার সিদ্ধান্তের প্রাণশক্তিতে।”[৫]
তবে এর মানে এই নয় যে আমরা শান্তিবাদী। বুর্জোয়া শ্রেণি কখনোই স্বেচ্ছায় ক্ষমতা ছেড়ে দেবে না, এবং একদিন শ্রমিক শ্রেণিকে তার মোকাবিলা করতেই হবে। কিন্তু প্রলেতারিয়েতের শ্রেণিগত হিংসার সঙ্গে দোকানের কাচ ভাঙা বা দাঙ্গা পুলিশের সারির দিকে পাথর ছোড়ার কোনো মিল নেই। প্রথমত, এটি গণভিত্তিক ও সামষ্টিক; এটি অন্যদের পক্ষ থেকে কোনো সংখ্যালঘুর কর্মকাণ্ড নয়, বরং সমগ্র শ্রেণির শক্তির প্রকাশ। এটি সচেতনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং সেই সব সংগঠনিক কাঠামোর মাধ্যমে পরিচালিত হয়, যার ভেতর দিয়ে সংগ্রাম নিজেকে সংগঠিত করে, যেমন সাধারণ সভা ও কমিটি। এটি প্রতিশোধ নয়, ক্ষোভ ঝাড়ার পথও নয়। এর লক্ষ্য কাউকে অপমান বা শাস্তি দেওয়া নয়, কারণ এটি ব্যক্তি নয়, একটি ব্যবস্থার বিরুদ্ধে পরিচালিত হয়: পুঁজিবাদ। সর্বোপরি, এটি সবসময় সংগ্রামের লক্ষ্যকেই অধীনস্থ থাকে: আন্দোলনকে যতদূর সম্ভব বিস্তার করা, যাতে তা তার দাবি, স্লোগান ও কর্মপদ্ধতিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। বিপরীতে, যে হিংসা আন্দোলনকে বিচ্ছিন্ন করে, যারা এখনো যোগ দিতে দ্বিধাগ্রস্ত তাদের দূরে ঠেলে দেয়, এবং রাষ্ট্রকে তার প্রতীক্ষিত অজুহাত এনে দেয়, সেই হিংসা ব্যবহারকারীদের উদ্দেশ্য যাই হোক না কেন, শেষ পর্যন্ত শত্রুরই সেবা করে। এই কারণেই প্রলেতারিয়েতের প্রধান অস্ত্র ইট-পাথর নয়, তার চেতনা ও তার সংগঠন।
আমরা যেন ভুল না করি: সন্ত্রাস হলো বুর্জোয়া শ্রেণির অস্ত্র; গণতন্ত্র কেবল পুঁজির একনায়কত্বের ওপর চাপানো একটি মুখোশ। শ্রমিক শ্রেণি হিসেবে আমাদের অস্ত্র হলো চিন্তাভাবনা, সংহতি এবং সংগ্রামী আন্দোলনের ব্যাপক বিস্তার। গত এক মাস ধরে ছাত্রদের সাধারণ সভাগুলো নিরন্তর এই কথাই তুলে ধরছে। আর এখানেই তাদের প্রকৃত শক্তি নিহিত। ঠিক এটিই বুর্জোয়া শ্রেণিকে ভীত করে। এই সাধারণ সভাগুলো, এই আত্মসংগঠন, ফ্রান্সে এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে আগামী দিনের সংগ্রামের বীজ বহন করছে। আর সেই কারণেই গণমাধ্যমে এগুলোকে নীরব করে রাখা হচ্ছে।
রিশার্ড
২৪ অক্টোবর ২০২৬
টীকা
[১] ২১-২২ অক্টোবরের রাতে বোবিনি আদালতের আটককেন্দ্রে ২০ জন অপ্রাপ্তবয়স্কসহ মোট ৮৪ জনকে গাদাগাদি করে রাখা হয়েছিল। সেখানে মাত্র ১০টি গদি ছিল। সেলগুলো ছিল তীব্র ঠান্ডা, অস্বাস্থ্যকর এবং আবর্জনা ও প্রস্রাবভর্তি বোতলে ভরা। কিছু সেল ভেতরে থাকা মানুষের তুলনায় অতিরিক্ত ছোট ছিল, আবার কিছু এতটাই সঙ্কীর্ণ ছিল যে শুয়ে থাকা সম্ভব ছিল না। সকাল ৬টায় তিনজন অপ্রাপ্তবয়স্ককে ঠান্ডায় কাঁপতে কাঁপতে পাওয়া যায়। [https://en...e#_ftnref1]
[২] ২০০৬ সালে সিপিই-বিরোধী ফরাসি ছাত্র আন্দোলনে ছাত্ররা বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকচার হলে সাধারণ সভা সংগঠিত করেছিল, যা আন্দোলনের বিস্তার ও সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। [https://en...e#_ftnref2], [https://en...gainst-cpe]
[৩] এমন ভিডিওর সংখ্যা বাড়ছে যেখানে দেখা যাচ্ছে, ‘তরুণ’ সেজে থাকা পুলিশ সদস্যরা বস্তু নিক্ষেপ করছে, সম্পত্তি নষ্ট করছে, অন্যদের উসকানি দিচ্ছে এবং পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়াতে প্ররোচিত করছে। [https://en...e#_ftnref3]
[৪] উক্তিটি Terror, Terrorism and Class Violence প্রবন্ধ থেকে নেওয়া। [https://en...e#_ftnref4], [https://en...error.html]
[৫] উক্তিটি Resolution on terrorism, terror and class violence থেকে নেওয়া। [https://en...e#_ftnref5], [https://en...s-violence]
অনুবাদ-উৎস: The question of violence [https://en...n-violence]