একই সময়ে ফ্রান্স, বেলজিয়াম, জার্মানি, ইতালি ও স্পেনে ‘জেনারেশন জেড’-এর তরুণরা দারিদ্র্য ও যুদ্ধের সেই ভবিষ্যতের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াচ্ছে, যা পুঁজিবাদ তাদের জন্য বয়ে আনছে। তাদের কণ্ঠে ধ্বনিত হচ্ছে এক অভিন্ন অভিজ্ঞতা: “আমাদের জন্মের পর থেকে একের পর এক সংকট ছাড়া আর আমরা কিছুই দেখিনি।” ফ্রান্সের এডুকেশন সেক্টরের সরকারি কাটছাঁটের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা আন্দোলনে এই স্লোগান শোনা গেছে: “সেনাবাহিনীর জন্য ৬ বিলিয়ন, অথচ স্কুলের জন্য একটি পয়সাও নয়!” এই আন্দোলনের প্রতি সামাজিক মাধ্যম জুড়ে সারা বিশ্ব থেকে এসেছে সংহতির বার্তা: “তোমাদের সংগ্রাম আমাদেরও সংগ্রাম!”
তরুণদের এই ক্ষোভের মুখে সরকারগুলোর একমাত্র জবাব হচ্ছে নির্মম দমন-পীড়ন। ফ্রান্সে একজন ছাত্র একটি চোখ হারিয়েছে, আরেকজন হারিয়েছে একটি হাত। বেলজিয়ামের লিয়েজ অঞ্চলে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করা হয়েছে, তবুও ৫০ হাজার মানুষ ব্রাসেলসের রাস্তায় নেমেছে। মাদ্রিদে শিক্ষকদের ধর্মঘটের সমর্থনে বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ছাত্রদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। বার্লিনে তরুণরা বাধ্যতামূলক সামরিক নিয়োগের বিরুদ্ধে মিছিল করেছে। আর ইতালির তুরিন, রোম ও নেপলসে ছাত্ররা ফ্রান্সের সংগ্রামের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে রাস্তায় নেমেছে।
এই সংগ্রামগুলো সমগ্র আন্তর্জাতিক শ্রমিক শ্রেণির মধ্যে জমে ওঠা গভীর অসন্তোষ ও অস্বস্তির কেবল হিমশৈলের চূড়ামাত্র। সর্বত্র শ্রমিকরা জীবনযাত্রার মানের অবনতি, ক্রমবর্ধমান সামরিকীকরণ এবং যুদ্ধের প্রস্তুতির মুখোমুখি হচ্ছে। স্পেনে এয়ারবাস ও শিক্ষা সেক্টরের শ্রমিকদের সংগ্রাম, প্যারিসের গণপরিবহন শ্রমিকদের লড়াই, বেলজিয়াম ও আর্জেন্টিনায় সামাজিক ব্যয়ছাঁটাইয়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন, কিংবা ভারতের ফরিদাবাদের বস্ত্রশ্রমিকদের ধর্মঘট, সবই এই একই বাস্তবতার ভিন্ন ভিন্ন প্রকাশ।
অনিশ্চিত ও অস্থায়ী কর্মসংস্থানে নিয়োজিত এই তরুণরা শ্রমিক শ্রেণিরই সন্তান। ২০২২ সালে ব্রিটেনের “গ্রীষ্মকালীন অসন্তোষ”-এর আন্দোলন থেকে শুরু করে ২০২৩ সালে ফ্রান্সে পেনশন আক্রমণের বিরুদ্ধে সংগ্রাম পর্যন্ত, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যে সংগ্রামী চেতনার বিকাশ ঘটেছে, সেখান থেকেই তারা শক্তি সঞ্চয় করছে। কীভাবে লড়তে হবে, তা নিয়ে আলোচনা ও চিন্তাভাবনা চলছে, এবং তাদের সংগ্রামের ভিত্তি হয়ে উঠছে সেই উপলব্ধি যে একের পর এক ত্যাগ স্বীকার করে গেলে কেবল আরও ত্যাগ ডেকে আনবে। তারা তাদের ভবিষ্যতের জন্য লড়ছে, যে ভবিষ্যৎ আজ অমীমাংসিত অর্থনৈতিক সংকট, যুদ্ধ ও জলবায়ু বিপর্যয়ের হুমকির মুখে। তআরা বলছে, “On nous vole notre avenir, on refuse de se taire!” (তারা আমাদের ভবিষ্যৎ ছিনিয়ে নিচ্ছে, আর আমরা চুপ করে থাকতে অস্বীকার করছি!) তরুণদের এই সংগ্রাম আন্তর্জাতিক স্তরে সামাজিক পরিবেশের এক গভীর পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করছে। রাস্তায় অপরিচিত মানুষ আলোচনা করছে কী করা উচিত, কীভাবে লড়াই করা উচিত। সমাবেশ ও বিক্ষোভে বহু বছর পর মানুষ আবার নির্ভয়ে বিপ্লবের কথা বলছে। সংগ্রামে প্রবেশ করা এই নতুন প্রজন্ম অভিজ্ঞতায় সীমিত হলেও, একই সঙ্গে তারা অতীতের বহু বোঝা ঝেড়ে ফেলেছে, যেমন স্তালিনবাদের পতনের পর চালানো কমিউনিস্টবিরোধী প্রচারণা এবং রাজনৈতিক অঙ্গীকার থেকে মুখ ফিরিয়ে থাকার প্রবণতা।
অনেকে ১৯৬৮ সালের মে মাসের আন্দোলনের কথা উল্লেখ করছে এবং প্রবীণদের কাছে জানতে চাইছে, সেই সময়টা কেমন ছিল। ১৯৬৮ সালের মে আন্দোলন ও বর্তমান পরিস্থিতির মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মিল হলো, উভয় ক্ষেত্রেই একটি ভিন্ন সমাজের সম্ভাবনা, পুঁজিবাদের বিকল্পের সম্ভাবনা সামনে এসেছে। এই অর্থে, ভবিষ্যতের জন্য তরুণদের সংগ্রাম এমন এক চেতনার বিকাশের সঙ্গে যুক্ত, যা শুধু অগ্রণী সংখ্যালঘুদের মধ্যেই নয়, সমগ্র শ্রমিক শ্রেণির মধ্যেই পুঁজিবাদের বিরুদ্ধে সরাসরি মোকাবিলার সম্ভাবনা সম্পর্কে পরিপক্ব হয়ে উঠছে। বিভিন্ন প্রজন্মের সম্মিলিত সংগ্রাম দেখিয়ে দিচ্ছে যে বুর্জোয়া শ্রেণির প্রতিশ্রুতি থেকে কোনো বাস্তব উন্নতির আশা করা যায় না। আমাদের জীবনযাত্রার ওপর আক্রমণ আজ বিশ্বব্যাপী: মূল্যস্ফীতির কারণে মজুরির ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস, ছাঁটাই, সামাজিক সুবিধা কমিয়ে আনা, কাজের তীব্রতা বৃদ্ধি ও দীর্ঘতর কর্মঘণ্টা, সম্মানজনক বাসস্থানের অপ্রাপ্যতা এবং আমাদের সন্তানদের জন্য ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা। পুঁজিবাদ ক্রমশ সংকট, যুদ্ধ ও পরিবেশগত বিপর্যয়ের এক অন্তহীন ঘূর্ণাবর্তে নিমজ্জিত হচ্ছে। “Pas d’avenir, pas de calme” (ভবিষ্যৎ নেই, শান্তিও নেই)।
এই কারণেই তরুণদের সংগ্রাম সারা বিশ্বের শ্রমিক শ্রেণির ব্যাপক সংগ্রামের পূর্বাভাস বহন করছে, বিশেষত ইউরোপীয় দেশগুলোতে, যেখানে শ্রমিকরা সংগ্রামের সবচেয়ে সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। শ্রমিক শ্রেণির সংগ্রামই একমাত্র শক্তি, যা সমাজের সামনে একটি প্রকৃত বিকল্প তুলে ধরতে পারে, সত্যিকারের সংহতি গড়ে তুলতে পারে এবং দেখাতে পারে প্রকৃত ঐক্য বলতে কী বোঝায়।
ফ্রান্সের একটি রেডিও অনুষ্ঠানে, যখন একজন ইতিহাসবিদকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল বর্তমান ছাত্র আন্দোলন কখন শেষ হবে, তিনি উত্তর দিয়েছিলেন: “যখন তরুণরা এত ব্যাপকভাবে সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে, তখন তারা সমাজের গভীরে জমে থাকা বাস্তবতাকে কণ্ঠ দেয় এবং আগামী দিনের নতুন সামাজিক আন্দোলনগুলোর আগমনী বার্তা হয়ে ওঠে।”
১৯৬৮ সালের মে মাসেও ঠিক এটাই ঘটেছিল। তবে তখন প্রতিবেশী দেশগুলোতে সংগ্রাম ছড়িয়ে পড়তে প্রায় এক বছর সময় লেগেছিল, যেমন ১৯৬৯ সালে ইতালির “Autunno caldo” (উত্তপ্ত শরৎ)-এর ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছিল। কিন্তু আজ বিভিন্ন দেশে একই সময়ে সংগ্রামের বিস্ফোরণ ঘটছে।
“যে যার নিজের জন্য” এই মিথ্যা বিকল্পের বিপরীতে, চেতনার পরিপক্বতা প্রকাশ পাচ্ছে একটি ঐক্যবদ্ধ, সচেতন ও সংগঠিত সংগ্রাম গড়ে তোলার প্রচেষ্টার মধ্য দিয়ে।
সংহতি, গণসমাবেশ এবং সংগ্রামের বিস্তার: শ্রমিক শ্রেণির লড়াইয়ের পদ্ধতি
ইউরোপে তরুণদের সাম্প্রতিক সংগ্রাম শুরু থেকেই শ্রমিক শ্রেণির ঐতিহাসিক সংগ্রামপদ্ধতির ওপর নির্ভর করেছে এবং ভবিষ্যতের ধর্মঘট ও বৃহত্তর শ্রেণিসংগ্রামের পূর্বাভাস বহন করছে।
ফ্রান্সে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সমর্থনে ধর্মঘট করেছে; শিক্ষকরা পুলিশি দমন-পীড়ন থেকে ছাত্রদের রক্ষা করতে মানবশৃঙ্খল গড়েছেন; পরিবারের সদস্য এবং বহু শ্রমিক ব্যাপক বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন, অনেকে সমাবেশেও যোগ দিয়েছেন। স্পেনে শিক্ষার্থীরাই শিক্ষকদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছে। বেলজিয়াম, ইতালি ও গ্রিসের ছাত্ররাও ফ্রান্সের সংগ্রামের সমর্থনে সংগঠিত হয়েছে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এই সংহতির প্রকাশ, যা এয়ারবাসের সংগ্রামেও দেখা গিয়েছিল, ভবিষ্যতের আন্তর্জাতিক সংগ্রামের সম্ভাব্য অঙ্কুর। বুর্জোয়া শ্রেণি এই সম্ভাবনাকে এতটাই ভয় পায় যে বেলজিয়ামে তারা ‘ফরাসি ভাইরাস’ ছড়াতে পারে এমন ‘উগ্রপন্থী’ উপাদানদের প্রবেশ পর্যন্ত নজরদারিতে রেখেছে।
সংগ্রামের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিতে হলে আলোচনা ও সিদ্ধান্তগ্রহণের কেন্দ্র হিসেবে গণসমাবেশগুলোকে প্রতিষ্ঠিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব সমাবেশ সকল সেক্টরের শ্রমিক, বেকার এবং অবসরপ্রাপ্তদের জন্য উন্মুক্ত হতে হবে। আলোচনা স্তব্ধ করে দিয়ে সমাবেশগুলোকে ট্রেড ইউনিয়নের প্রস্তাবে শুধু ভোট দেওয়ার যন্ত্রে পরিণত করা এক বিপজ্জনক ফাঁদ। গণসমাবেশের কাজ হলো সংগ্রামের সমস্যাগুলো পরিষ্কারভাবে চিহ্নিত করা এবং সেই অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া। প্যারিস এবং ফ্রান্সের অন্যান্য শহরের সমাবেশগুলো আন্দোলনকে টিকিয়ে রেখেছে এবং বিস্তৃত করার চেষ্টা করেছে। নিষ্ফল পুলিশ-সংঘর্ষের পথে হাঁটা ঠিক হবে, নাকি কর্মরত শ্রমিকদের কাছে প্রতিনিধি দল পাঠিয়ে তাদের সংগ্রামে যোগদানের আহ্বান জানানো হবে, এ প্রশ্নকে ঘিরে সেখানে প্রাণবন্ত বিতর্ক হয়েছে। ১৭ অক্টোবর ফ্রান্সের বৃহৎ বিক্ষোভগুলোতে আমরা স্পষ্টভাবে দেখেছি কীভাবে বুর্জোয়া রাষ্ট্র ব্যাপক সন্ত্রাস প্রদর্শনের মাধ্যমে আন্দোলনকে কলঙ্কিত করার উদ্দেশ্যে পথভ্রষ্ট সহিংসতা উসকে দেয়, আর গণমাধ্যম অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটকে বিক্ষোভের সারবস্তু হিসেবে তুলে ধরে সেই কাজে সহায়তা করে।
যৌথ সংগ্রামের নামে ট্রেড ইউনিয়নগুলোর ঘোষিত কর্মসূচি বা এমনকি সাধারণ ধর্মঘটের ডাক নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ বিতর্ক হয়েছে। বাস্তবে এসব উদ্যোগ আমাদের বিচ্ছিন্নই রাখে, প্রত্যেককে তার নিজস্ব সেক্টর, নিজস্ব দাবি এবং নিজ নিজ কোম্পানি বা ইউনিয়নের পতাকার পেছনে আটকে রাখে। সংগ্রামের প্রকৃত বিস্তার শুরু হয় তখনই, যখন গণসমাবেশগুলো বিপুল প্রতিনিধি দল কর্মস্থলগুলোতে পাঠিয়ে শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা করে এবং তাদের সংগ্রামে যুক্ত করে; যখন তারা যৌথ সমাবেশে একত্রিত হয় এবং অভিন্ন দাবির পক্ষে দাঁড়ায়; যখন তারা নিশ্চিত করে যে কমিটি ও উপকমিটিগুলো নির্বাচিত হবে এবং সমাবেশের কাছেই জবাবদিহি করবে। এখন পর্যন্ত ফ্রান্সের যুব সংগ্রামের প্রধান সীমাবদ্ধতা হলো, ব্যাপক সংহতির অনুভূতি থাকা সত্ত্বেও, ১৯৬৮ সালের মে আন্দোলন বা ২০০৬ সালের CPE-বিরোধী সংগ্রামের মতো এটি এখনও কর্মস্থলগুলোতে ছড়িয়ে পড়তে পারেনি।
“Ce n’est qu’un début, le combat continue !” (এটা কেবল শুরু, সংগ্রাম চলছেই! – ১৯৬৮ সালের মে আন্দোলনের স্লোগান)
যদি সর্বহারা যুবকদের সংগ্রাম সমগ্র শ্রমিক শ্রেণির মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে না পারে, তাহলে তা পরাজয়ের মুখে পড়বে, যদিও সেই সম্ভাবনাকে এখনই নিশ্চিত বলা যায় না। কিন্তু নতুন প্রজন্মের সংগ্রাম শ্রমিক শ্রেণির সামগ্রিক লড়াইয়ের বিকাশের পাশাপাশি এগিয়ে চলবেই। একই সঙ্গে এটি টিকে থাকবে নিজেদের অভিজ্ঞতা নিয়ে চিন্তাভাবনা করা এবং সংগ্রাম থেকে শিক্ষা আহরণের প্রচেষ্টার মধ্য দিয়ে, যা শুরুতে প্রায়ই সংখ্যালঘুদের হাত ধরেই আসে। নিজেদের সংগ্রাম থেকে শিক্ষা গ্রহণ শুধু ভবিষ্যৎ আন্দোলনের শক্তি ও ব্যাপ্তি বৃদ্ধি করে না; এটি পুঁজিবাদকে ধ্বংস করে তার স্থানে প্রকৃত কমিউনিস্ট সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এক প্রকাশ্য রাজনৈতিক সংগ্রামের পথও উন্মুক্ত করে, বিশ্বব্যাপী পরিসরে। এই পথ দীর্ঘ, কঠিন এবং বাধাবিঘ্নে পরিপূর্ণ। তবুও মানবজাতির জন্য এই পৃথিবীতে কোনো ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পারে একমাত্র এই পথই।
আন্তর্জাতিক কমিউনিস্ট কারেন্ট (ICC), অক্টোবর ২০২৬
ICC-এর কমরেডরা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন। চেতনার বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হলো, সংগ্রামকে সত্যিকার অর্থে বিস্তৃত করার পক্ষে আমাদের উপস্থাপিত বেশ কয়েকটি প্রস্তাব গণসমাবেশগুলো গ্রহণ করেছে। এই প্রচারপত্রে উত্থাপিত ধারণাগুলো নিয়ে যারা ভাবতে ও আলোচনা করতে চান, তাদের আমরা আমাদের ওয়েবসাইট পরিদর্শন করতে এবং আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে আহ্বান জানাই।
আমরা বিভিন্ন দেশ ও ভাষায়, অনলাইন ও সরাসরি উপস্থিতির মাধ্যমে, জনসভা আয়োজন করি যেখানে এসব প্রশ্ন নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করা যায়। বিস্তারিত জানতে আমাদের লিখুন।
অনুবাদের উৎস: ফ্রান্সে ছাত্রদের সংগ্রাম: বিশ্ব শ্রমিক শ্রেণির সংগ্রামের হিমশৈলের চূড়ামাত্র।