ফ্রান্সে পুঁজিবাদ বিরোধী আন্দোলন

ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম থেকে বিদ্যালয়গুলিতে ছুটি থাকা সত্ত্বেও বিশ্ববিদ্যালয় ও উচ্চবিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা ফ্রান্সের অধিকাংশ বড় শহরগুলিতে সরকার ও মালিকের অথনৈতিক আক্রমনের বিরুদ্ধে এবং CPE আইনের বিরুদ্ধে একত্রিত হয়েছে এবং তাদের ক্ষোভ উগরে দিয়েছে, যদিও গণমাধ্যমগুলি (বিশেষত, টিভি) এ বিষয়ে সম্পূণ নীরব। বরং বারবারিয়ান গ্যাং এর জঘন্য ক্রিয়াকলাপগুলি প্রচারের আলোতে নিয়ে আসার প্রতিই তাদের মনোযোগ বেশি।

বিশ্ব নেতা, আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী

গত ৭ ই জুলাই’০৫ তারিখে লন্ডনে সন্ত্রাসবাদীদের আক্রমনের প্রথম শিকার কারা?

২০০১ নিউইয়ক এবং ২০০৪ মাদ্রিদের মতই লন্ডনেও বিস্ফোরণের সুপরিকল্পিত লক্ষ্য ছিল শ্রমিকেরা। তার কারণ সেসময় টিউবে আর বাসে তাদেরই কমর্স্থলে যাবার ভীড় উপচে পড়েছিল। এই গণহত্যা ঘটানোর দায় স্বীকার করেছে আল-কায়দা, এরা বলছেইরাকে  ব্রিটিশ সেনারা যে হত্যালীলা চালিয়েছে তারবদলা নিতেই  তারা কাজ করেছে।কিন্তু ভেবে দেখুন, ইরাকি জনগণের উপর যে সীমাহীন নিধন চলছে তার জন্য নিশ্চয় ব্রিটেনের শ্রমজীবী মানুষেরা দায়ী নয়।এর জন্য দায়ী ব্রিটেনের এবং আমেরিকার শাসকশ্রেণী এবং তথাকথিত প্রতিবাদী সন্ত্রাসবাদীরা যারা প্রতিদিন ইরাকি জনগণের উপর হত্যালীলা চালিয়ে যাচ্ছে প্রতিরোধের নাম করেই।কিন্তু ইরাক যুদ্ধের হোতারা মানে ওই বুশ আর ব্লেয়াররা বহাল তবিয়তেই থেকে যাচ্ছে, বরং সন্ত্রাসবাদীদের নতুন নতুন হত্যালীলা ওদের নতুন কোনো যুদ্ধে নামার অজুহাত তৈরীতে সাহায্য করছে যেমন ১১ সেপ্টেম্বরের ঘটনা আফগানিস্তান এবং ইরাক আক্রমনের যুক্তি যুগিয়ে ছিল।

পৃষ্ঠাসমূহ

Subscribe to ইন্টারন্যাশানাল কম্যুনিস্ট কারেন্ট RSS